
ছোটবেলায় অনেক জঘন্য কবিতা মুখস্থ করতে হতো। তাদের একটার কথা ছিল এরকম, "ঘুড়িরা উড়ছে বন মাথায়/সবুজে হলুদে মন মাতায়"। এই পোস্টটা লিখতে গিয়ে কবিতটা মনে পড়ে গেল। পিএসপিজের মিটিং এ গিয়ে শুনি কাপং এর কোন এক পার্কে নাকি প্রতি উইকএন্ডে লোকে যায় ঘুড়ি ওড়াতে, দ্বিতীয় আউটিং হবে সেখানেই। তখনও পর্যন্ত কাপং কোথায়, আমার কোন ধারনা ছিল না..
আজকে দুপুর সাড়ে চারটায় কাপং মেট্রোপলিটান পার্ক জমায়েত হবার হুকুম দেখে মাশীদকে নিয়ে রওনা দিলাম, বেশী দূরে না, আধা ঘন্টায় পৌছে গেলাম। আমাদের নিয়ম হল হাজির হয়ে গ্রুপ ফোটো তুলতে হবে একটা, তারপর নিজের মতো "চইড়া খা"। "চইড়া খেতে" ঠিক ভালো লাগলো না, তার কারন অসহ্য গরম! ছায়ায় দাড়িয়ে বরং লোকের কান্ড দেখতে লাগলাম। সুবিশাল পার্ক, সেখানে শয়ে শয়ে মানুষ এসেছে ঘুড়ি ওড়াতে। বয়স/জাতের সীমা নেই। যে যেমনি পারছে উড়িয়ে যাচ্ছে। মাশীদের শখ ছিল ঘুড়ি কিনবে একটা। ৪৫রিংগিত শুনে আমরা দুজনেই কিঞ্চিত দমে গেলাম।
ঘুড়ি ওড়াবার ছবি তোলাটা সহজ না। লোকজনকে বলে কয়ে পোজ ঠিক করে তুললে কিছু আশা থাকে, এমনি ক্যানডিড তোলা ভ্যাজালের!!! যাই হোক বহুক্ষন ছাইপাশ তুলে সাতটার দিকে ফেরার ধান্দা করলাম। এমন সময় রিপি আর ফাজ জানালো দে ওয়ান্ট টু রিটার্ন দ্য ফেভার, মাদাম কাওয়ান (মিডভ্যালী) এ খাওয়াতে চায়। সেখানে নাসি বোজারি (Nasi Boajri) খেয়ে জটিল লাগলো (২১ রিংগিতের খাবার বলে কথা!)। নাসি বোজারিকে শাহী ভাত বলা যেতে পারে। ভাজা ভাতের সাথে মাংস রেন্দাং, ভাজা মুরগি আর আসাম প্রন! আহা!..
বাসায় ফিরতে ফিরতে মাথায় একটা আইডিয়া এলো, খানিকটা আন্তর্জাতিক.. দেখা যাক কি করা যায়। বাই দ্য ওয়ে, ফিশআই বেচে Canon EF 17-40mm f/4L USM লেন্স কিনলাম। ক্রোমাটিক অ্যাবারেশন অনেক কম, ছবিও এল-এর মতোই শার্প। সবটাকা পানিতে গেলরে!...
আরও ছবিঃ
-----------------------






মাদাম কাওয়ানে ফাজ আর রিপি, সামনে বিখ্যাত নাসি বোজারি!
No comments:
Post a Comment
To comment in Bangla, please use Avro Keyboard Interface. Click here for Bangla Installation Guide.
বাংলায় লিখতে অভ্র কিবোর্ড ব্যবহার করুন. বাংলা ইন্সটলেশন গাইড পাবেন এখানে।